বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেছেন, সমাজের অপরাধ দমন ও অপরাধী গ্রেপ্তারে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার সম্পূর্ণ জিরো টলারেন্স নীতিতে অঙ্গীকারবদ্ধ। একটি নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে এই নীতিতে সরকার স্থির আছে, থাকবে, ইনশাআল্লাহ।
শুক্রবার (৬ মার্চ) জমিয়াতুল ফালাহ জাতীয় মসজিদ মাঠে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক, সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহর সভাপতিত্বে ও সদস্যসচিব নাজিমুর রহমানের সঞ্চালনায় মাহফিলে চট্টগ্রাম মহানগরীর ১৫টি থানা ও ৪১টি ওয়ার্ডের দলীয় নেতকর্মী, আইনজীবী, বুদ্ধিজীবী, শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, সাংবাদিকসহ নানান শ্রেণি পেশার হাজার হাজার মানুষ অংশ নেন।
মীর হেলাল বলেন, বিপুল জনরায় নিয়ে বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণ ও জানমালের নিরাপত্তা বিধানে দলীয় পরিচয়, বিবেচনা করা হবে না।
বিগত ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে বিএনপির নেতা কর্মীরা জীবনবাজি রেখে রাজপথে সংগ্রাম করেছে তা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে মীর হেলাল বলেন, এখন দেশ গড়ার পালা, ‘করব কাজ, গড়ব দেশ সবার আগে বাংলাদেশ’ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এই স্লোগান সামনে রেখে সব ধরনের অপরাধী দমন করে শান্তি ও সমৃদ্ধ জাতি গঠনে দলীয় নেতাকর্মীসহ সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান বলেন, গত ১৬ দিনে সরকারের কার্যক্রমে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষ সন্তুষ্ট।
যে লক্ষ্য নিয়ে আন্দোলনের মাধ্যমে আওয়ামী ফ্যাসিবাদীদের বিদায় করেছি ইনশাআল্লাহ তারেক রহমানের নেতৃত্বে সেই লক্ষ্য অর্জিত হবে।
এরশাদ উল্লাহ বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। দলীয় নেতাকর্মীরাসহ সবাই মিলেমিশে দেশের মানুষের জন্য একটি শান্তি ও নিরাপদ আবাসভূমি গড়ে তুলতে সক্ষম হবো।
মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব ও সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, নতুন সরকার রমজানের সব নিত্যপণ্য ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সাধারণ মানুষের জন্য সহনীয় পর্যায়ে রাখতে সমর্থ হয়েছে। অচিরেই জাতি একটি নতুন বাংলাদেশ দেখবে।
ইফতার মাহফিলে চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা এসএম ফজলুল হক, দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইদ্রিছ মিয়া, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, এম আজিজ, অ্যাডভোকেট আব্দুস সাত্তার, এসএম সাইফুল আলম, সৈয়দ আজম উদ্দিন, কাজী বেলাল উদ্দিন, শফিকুর রহমান স্বপন, হারুন জামান, নিয়াজ মোহাম্মদ খান, শাহ আলম, আরইউ চৌধুরী শাহিন, শওকত আজম খাজা, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, শিহাব উদ্দিন মুবিন, মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু, উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন, চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হাসান আলীসহ বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের মহানগর ও জেলা নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন পেশাজীবী, শ্রমজীবী সংগঠনের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।
ইফতারের আগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, আরাফাত রহমান কোকোসহ বিগত আন্দোলনে নিহত নেতা কর্মীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা এবং দেশ ও জাতির সুখ শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য মোনাজাত করা হয়।