পার্কভিউ হসপিটাল থেকে সুমন–এনি দম্পতির ৫ শিশুর ছাড়পত্র

চট্টগ্রামের বহুল আলোচিত সুমন– এনি দম্পতির পঞ্চম ও সর্বশেষ শিশুটি সুস্থ অবস্থায় পার্কভিউ হসপিটাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে। এর মাধ্যমে একসঙ্গে জন্ম নেওয়া পাঁচ শিশুর সবাই সফলভাবে চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরল।

জানা যায়, গত ৮ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে দীর্ঘ ১০ বছর চিকিৎসা নেওয়ার পর বিশিষ্ট প্রসূতি বিশেষজ্ঞ ডা. ফরিদা ইয়াসমিন সুমির তত্ত্বাবধানে নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে সিজারিয়ান পদ্ধতিতে একসঙ্গে পাঁচটি শিশুর (তিন মেয়ে ও দুই ছেলে) জন্ম দেন সাতকানিয়া উপজেলার বাসিন্দা ওয়াহিদুল ইসলাম সুমনের স্ত্রী এনি আক্তার। ডেলিভারির পরপরই নবজাতকদের শারীরিক নানা জটিলতা দেখা দিলে দ্রুত তাদের চট্টগ্রামের সুনামধন্য পার্কভিউ হসপিটালের এনআইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।

পার্কভিউ হসপিটালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ডা. এ টি এম রেজাউল করিমের সার্বক্ষণিক নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও নার্সদের নিবিড় পরিচর্যা এবং কঠোর মনিটরিংয়ের মাধ্যমে একে একে চারটি শিশুর অবস্থার উন্নতি ঘটে এবং তারা পর্যায়ক্রমে ছাড়পত্র পায়। সর্বশেষ আজ পঞ্চম শিশুটিও সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র লাভ করে।

এ উপলক্ষে পার্কভিউ হসপিটাল কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে আজ হাসপাতাল মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট প্রসূতি বিশেষজ্ঞ ও কনসালটেন্ট ডা. ফরিদা ইয়াসমিন সুমি, শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. আব্দুর রাজ্জাক, পার্কভিউ হসপিটালের এনআইসিইউ ইনচার্জ ডা. মোহাম্মদ সগীর, শিশু বিশেষজ্ঞ সহকারী অধ্যাপক ডা. ফেরদৌস আরা, ডিজিএম মোহাম্মদ হুমায়ুন কবিরসহ হাসপাতালের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন, একসঙ্গে পাঁচটি নবজাতকের চিকিৎসা ও পরিচর্যা অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং হলেও আধুনিক এনআইসিইউ সুবিধা, দক্ষ চিকিৎসক দল এবং নার্সদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এটি সফলভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে। শিশুগুলোর সুস্থতা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বাস দেন তারা।

এদিকে, সন্তানদের সুস্থতায় সন্তোষ প্রকাশ করে সুমন–এনি দম্পতি পার্কভিউ হসপিটালের চিকিৎসক, নার্স ও কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।